Mehreen Nasha-
Mehreen Nasha
Hacking tutorials
18 Oct 2021 (7 months ago)
Savar, Dhaka, Dhaka, Bangladesh
এথিক্যাল হ্যাকিং কি? কীভাবে এথিক্যাল হ্যাকিং এ ক্যারিয়ার শুরু করবেন?

এথিক্যাল হ্যাকিং

সবকিছুর ভালাে এবং মন্দ দুইদিকই রয়েছে, প্রযুক্তি রয়েছে তার নিজের মতাে করে, কিন্তু আপনি সেটাকে ভালাে কাজে লাগাবেন নাকি খারাপ কাজে সেটা আপনার উপর নির্ভর করে। আর্টিকেলের শিরােনামে হ্যাকিং শব্দটি শুনে ভয় পাওয়ার কিছু নেই, এখানে কোন অবৈধ ব্যাপারে আলােচনা করতে চলিনি। এথিক্যাল হ্যাকারকে হােয়াইট হ্যাট হ্যাকার ও বলা হয় এবং এদের নাম শুনেই এদের কাজ আন্দাজ করা যায়। অনেকে মনে করেন, হ্যাকিং তাে হ্যাকিং, সেটা খারাপ হােক আর ভালাে, আর অনেকে যেকোনাে হ্যাকিং’কেই অবৈধ এবং যেকোনাে হ্যাকারকেই সাইবার অপরাধী মনে করেন; তাদের ধারণা ঠিক আবার ঠিক নয় দুইটাই।

এথিক্যাল হ্যাকিং কি?

“এথিক্যাল” শব্দের বাংলা অর্থ হচ্ছে “নৈতিক” —অর্থাৎ নৈতিক বা বৈধ হ্যাকিং; আর এই হ্যাকিং যারা করে তাদের নীতি রয়েছে, তারা অনৈতিকভাবে কিছু করে । প্রথমে জানি, একজন হ্যাকারের কাজ কি সে কি করে? দেখুন, হ্যাকার যেকোনাে সিস্টেমের (কম্পিউটিং/ নেটওয়ার্কিং সিস্টেম) ত্রুটি খুঁজে বেড় করার চেষ্টা করে এবং সিস্টেমটির নিরাপত্তা স্তর ভেদ করে মূল সিস্টেমে প্রবেশ করে আর নিয়ন্ত্রন গ্রহন করে। এখন কেউ যদি কোন সিস্টেম থেকে বা যে সফটওয়্যারটির নিরাপত্তা ত্রুটি খোঁজা হচ্ছে সেই কোম্পানি থেকে অনুমতি না নিয়েই সিস্টেমে প্রবেশের চেষ্টা করে তবে এই ধরনের হ্যাকারকে ম্যালিসিয়াস হ্যাকার বা ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার বলা হবে। ম্যালিসিয়াস হ্যাকার সাধারনত সিস্টেমের রুল এবং সিকিউরিটি ভেঙ্গে ফেলে এবং মূল সিস্টেমের ক্ষতি সাধন করতে পারে। তাে হ্যাকিং বলতে, কোন সিস্টেমের ত্রুটি বা কমতি খুঁজে বেড় করে তাতে প্রবেশ করা। তাহলে এথিক্যাল হ্যাকিং কি? – এথিক্যাল হ্যাকিং হচ্ছে, হ্যাকার কোন সিস্টেম অ্যাডমিন বা সফটওয়্যার কোম্পানি থেকে পারমিশন নেওয়ার পরে সেই সিস্টেমের ত্রুটি চেক করতে আরম্ভ করে। সে যদি সিস্টেমের সিকিউরিটি ব্রেক করেও ফেলে তবে এটা করার জন্য তার সম্পূর্ণ অনুমতি থাকে, সে ম্যালিসিয়াস হ্যাকারের মতাে বিনা অনুমতিতে কাজ করে না।

একজন এথিক্যাল হ্যাকার অবশ্যই যেকোনাে কোম্পানি বা সিস্টেমের প্রাইভেসিকে শ্রদ্ধা জানাবে, এবং অবশ্যই অনুমতি সাপেক্ষেই কাজ করবে। সে কাজ করার পরে, মানে সিস্টেমটি চেক করে যদি কোন ত্রুটি খুঁজে পায় তবে অবশ্যই সেই ত্রুটি সম্পর্কে কোম্পানিকে অবগত করবে এবং সিকিউরিটি পঁাচ প্রদান করার মাধ্যমে সিস্টেমটিকে সিকিউর করতে সাহায্য করবে। যে যদি কোন ব্যাকডাের। খুঁজে পায় তবে অবশ্যই সেটা সিল করে দেবে যাতে ম্যালিসিয়াস হ্যাকার সেটা দ্বারা প্রবেশ করে সিস্টেমের কোন ক্ষতি সাধন না করতে পারে। তাছাড়া তিনি সিস্টেমটিতে অনেক প্রকারের অ্যাটাক করবে বিভিন্ন টেকনিক ব্যবহার করে যাতে সিস্টেমটির কোন ত্রুটি থাকলে সেটা সামনে ধরা পড়ে। হ্যাক অ্যাটাক চালানাের পরে যদি সিস্টেমটির ত্রুটি খুঁজে না পাওয়া যায়, তবে এতে কিন্তু এটা নিশ্চিত করে না, সিস্টেমটি ১০০% সিকিউর। কেনােনা ব্যস্তবিকভাবে কোন সিস্টেমই ১০০% সিকিউর নয়, এই জন্যই নিয়মিত সিকিউরিটি চেক করা প্রয়ােজনীয়।

এথিক্যাল হ্যাকারের চাহিদা

সত্যি বলতে পেছনের কয়েক বছর ধরে এথিক্যাল হ্যাকার বা হােয়াইট হ্যাট হ্যাকারের চাহিদা অনেক বেড়ে গেছে। পৃথিবী আরােবেশি ডিজিটাল হয়ে উঠছে মানে সবকিছুতেই চলে আসছে কম্পিউটিং এবং নেটওয়ার্কিং আর তার সাথে বাড়ছে নিরাপত্তা ঝুঁকি, আর এই ঝুঁকিকে কমানাের জন্যই প্রয়ােজনীয় নৈতিক হ্যাকারের।
উন্নত বিশ্বের কথা না হয় বাদই দিলাম, আমাদের দেশের দিকেই তাকিয়ে দেখুন, আমাদের দেশে পরীক্ষার রেজাল্ট থেকে শুরু করে, চাকুরির আবেদন, টিকিট কাটা, বেতন গ্রহন ইত্যাদি সমস্ত কিছু এখন ইন্টারনেট/ওয়েবসাইট/ বা অ্যাপ্লিকেশন নির্ভর হয়ে উঠছে। শুধু সরকারি নয়, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান গুলােও তাদের ব্যবসা এবং সিকিউরিটি নিয়ে অনেকবেশি সিরিয়াস। আমাদের দেশে গড়ে উঠছে অনেক ই-কমার্স সাইট, যাদের সিকিউরিটি অত্যন্ত টাইট রাখা প্রয়ােজনীয়।

এখন ধরুন কোন ম্যালিসিয়াস হ্যাকার আসলাে আর সরকারের রেজাল্ট ডাটাবেজ হ্যাক করে নিল, অথবা ট্রেন টিকিট কাটার অনলাইন সিস্টেমকে হ্যাক করে ইচ্ছা মতাে টিকিট বুকিং দিতে লাগলাে, এভাবে সরকার এবং দেশের মানুষের উভয়েরই ক্ষতি। এথিক্যাল হ্যাকার প্রত্যেকটি সিস্টেমকে খতিতে দেখে এবং ম্যালিসিয়াস হ্যাকারের মতােই সিস্টেমটিতে অ্যাটাক চালায়, এবং কোন সমস্যা খুঁজে পেলে সেটি ফিক্স করে দেয় অথবা কোম্পানি বা সরকারকে সমস্যাটি সম্পর্কে জানিয়ে দেওয়া হয়, যাতে সেটি যতাে দ্রুত সম্ভব ফিক্স করা সম্ভব হয়।

চলুন সম্পূর্ণ বিষয়টির উপর একজন এথিক্যাল হ্যাকারের প্রয়ােজনীয়তা এবং গুরুত্ব বােঝার জন্য একটি উদাহরণ নেওয়া যাক। ধরুন কোন এক অঞ্চলের রাজা একটি রাজ প্রাসাদ নির্মাণ করলেন, সে বাস করার জন্য এবং রাজ্যের সকল কাজ সেখানে বসে থেকে সম্পূর্ণ করার জন্য। এখন অবশ্যই তাকে প্রাসাদটিকে বিভিন্ন নিরাপত্তা ব্যবস্থার মাধ্যমে নিরাপদ করতে হবে। কেনােনা যেকোনাে সময় হয়তাে প্রাসাদে হামলা হয়ে যেতে পারে। প্রাসাদে অনেক সম্পদ থাকবে, অনেক কাগজ পত্র থাকবে যেগুলাে অত্যন্ত প্রয়ােজনীয়। এখন ধরুন রাজা তার প্রাসাদকে নিরাপদ করতে বিশাল বড় বড় দেওয়াল খাড়া করালেন এবং অসংখ্য প্রহরী নিজুক্ত করলেন। এখন তাে শত্রু পক্ষ সহজে বা বুক ফুলিয়ে হামলা করতে পারবে না, কেনােনা নিরাপত্তা অনেক টাইট।

তাই তারা কি করবে; মহলের দেওয়ালের ত্রুটি খোজার চেষ্টা করবে বা যে দিকে প্রহরী কম সেদিক থেকে প্রবেশের চেষ্টা চালানাে হবে। এখন হতে পারে রাজা দেওয়াল তাে মজবুদভাবে খাড়া করেছে, কিন্তু কোন এক দিকে এক পুরাতন নড়বরে দরজা ছিল সেটার কথা রাজা ভুলে গেছে, আর ঐ দিক থেকে আক্রমণ চলে আসতে পারে। তাে এতাে টাইট সিকিউরিটি থেকেও তখন কোন কাজে লাগবে না। এখন ধরুন রাজা এমন এক ব্যক্তিকে বা গ্রুপকে কাজে রাখলেন যারা সিকিউরিটিরই সিকিউরিটি চেক করবে, তারা শত্রুর পক্ষের মতােই মহলের চারপাশে ঘুরে বেরবে এবং পুরাতন বা দুর্বল দেওয়াল খোঁজার চেষ্টা করবে, আবার কোন প্রহরী ঘুমিয়ে পড়ছে কিনা পাহারা দিতে দিতে সেই ব্যাপারে। লক্ষ্য রাখবে এবং কোন সমস্যা খুঁজে পাওয়ার সাথে সাথে তার পদক্ষেপ গ্রহন করবে এবং রাজাকে জানিয়ে দেওয়া হবে।

আর এর ফলে শত্রু পক্ষের আক্রমণ আর মহলে ঢােকার সুযােগ অনেক কমে যাবে। তাে এই গল্পের ঐ স্পেশাল ব্যক্তি বা গ্রুপটিই হলাে এথিক্যাল হ্যাকার, আর এতােক্ষণে নিশ্চয় এদের চাহিদা সম্পর্কে বুঝে গেছেন। একটি সিস্টেমে যতাে সিকিউরিটি ব্যবস্থা থাকনা কেন, সাথে একে নিয়মিত চেক করাও অত্যন্ত প্রয়ােজনীয়। দেশ থেকে শুরু করে বিদেশ পর্যন্ত একজন ভালাে নৈতিক হ্যাকারের অনেক ডিম্যান্ড। কেনােনা এদের জন্যই কোন কোম্পানির লাখ লাখ বা কোটি কোটি ডলার বেঁচে যেতে পারে। ম্যালিসিয়াস হ্যাকারও কিন্তু সিস্টেমের ত্রুটি খোঁজার কাজ করে, তবে ওরা সিস্টেম অ্যাডমিন বা কোম্পানিকে না জানিয়েই এই কাজ আরম্ভ করে আর ত্রুটি খুঁজে পেলে সিস্টেমটির ক্ষতি সাধন করতে আরম্ভ করে।

আর এই ব্ল্যাক হ্যাটদের চক্কর থেকে বাঁচার জন্য আইটি কোম্পানিরা ভালাে হােয়াইট হ্যাটের তালাশ করে এবং দক্ষতা অনুসারে অনেক হাই বেতনে তাদের হায়ার করা হয়। আর আপনি যদি একজন সার্টিফাইড এথিক্যাল হ্যাকার হতে পারেন, তবে কোম্পানি এবং আপনার দক্ষতা অনুসারে ৬০ লাখ টাকা পর্যন্ত আপনার বছরের স্যালারি হতে পারে (সাের্স; Infosecinstitute.Com)।

কীভাবে এথিক্যাল হ্যাকিং এ ক্যারিয়ার শুরু করবেন?

আর্টিকেলের এই পর্যন্ত আলােচনা করেছি হােয়াইট
হ্যাট হ্যাকিং এবং হ্যাকার নিয়ে; আর পরিশেষে আমরা জানলাম এটি সম্পূর্ণ বৈধ এবং এদ্বারা ভালাে ক্যারিয়ার গড়া সম্ভব। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, কীভাবে শুরু করবাে? – দেখুন যারা অলরেডি আইটি নিয়ে বা কম্পিউটার সায়েন্স নিয়ে পড়াশুনা করছেন, তাদের জন্য ব্যাপারটি অনেক সহজ। আপনি যদি অধ্যায়নরত অবস্থায় থাকেন, তবে আগে অধ্যায়ন শেষ করে নিন এবং কোন কোম্পানিতে আইটি খাতে জব পাওয়ার চেষ্টা করুণ, হােক সেটা যতাে কম বেতনের জব-কেনােনা আমাদের টার্গেট তাে সামনের, তাই না।

তারপরে আপনি চাইলে পুলিশ বা মিলিটারি’তে সাইবার সিকিউরিটি বা আইটি খাতে কাজ করতে পারেন, এতে আপনার কাজের দক্ষতা অনেক বাড়বে। এর মধ্যে আপনি নেটওয়ার্কিং এর উপর ভিন্ন কোর্স করতে পারেন এবং আলাদা সার্টিফিকেট অর্জন করতে পারেন। কোর্সে নেটওয়ার্ক সাপাের্ট এবং অ্যাডমিন রােল নিয়ে পাকা হতে পারেন।

এবার আপনার কিছু সিকিউরিটি সার্টিফিকেট প্রয়ােজন পড়বে, আর সেটা আপনি আবারাে কিছু কোর্স সম্পূর্ণতবে একজন এথিক্যাল হ্যাকার হতে চাইলে অবশ্যই আপনাকে সৎ হতে হবে। ম্যালিসিয়াস হ্যাকারের মতাে ত্রুটি খুঁজে পাওয়ার পরে টাকার লােভে তার অপব্যবহার করা চলবে না। কোন নেটওয়ার্কে প্রবেশের পূর্বে অবশ্যই আপনার সেখানে প্রবেশ করার সম্পূর্ণ রাইট থাকতে হবে।

অনৈতিক কাজের সাথে জড়িয়ে পড়া কিংবা ব্ল্যাক হ্যাট চিন্তা ভাবনা মাথায় আনাও আপনার ক্যারিয়ার ধ্বংস করে দিতে পারে, তাই খুব সাবধান। হ্যাকিংকে এমনিতেই সাধারন মানুষ খারাপ নজরে দেখে, তাই অবশ্যই আপনাকে ১০০% সততা নিয়ে কাজ করতে হবে। এমনকি ক্যারিয়ার শুরুর আগেও কোন অনৈতিক কাজের সাথে যুক্ত থাকা চলবে না, কেনােনা আপনাকে চাকুরি দেওয়ার আগে কোম্পানি আপনার ব্যাকগ্রাউন্ড চেক করে দেখবে।

তাই যখন থেকে আপনি সিদ্ধান্ত নেবেন আপনি একজন এথিক্যাল হ্যাকার হতে চান, ঠিক তখন থেকেই সৎ জীবনের শুরু করতে হবে। করার মাধ্যমে পেয়ে যেতে পারেন। উপরের সকল ধাপ গুলাে পার হওয়ার পরে ফাইনালি আপনাকে ইন্টারন্যাশনাল কাউন্সিল অফ ইলেক্ট্রনিক কমার্স কন্সাল্টান্ট প্রােগ্রামে জয়েন করতে হবে এবং পরীক্ষা দিয়ে পাস করার মাধ্যমে আপনি হয়ে যাবেন, একজন সার্টিফাইড এথিক্যাল হ্যাকার।

কিন্তু আপনি যদি কোন কম্পিউটার সায়েন্স নিয়ে পড়াশুনা না করে থাকেন, তবুও যদি নৈতিক হ্যাকিং এ নিজের ক্যারিয়ার গড়তে চান সেটাও সম্ভব। আপনি ফ্রিলান্স এথিক্যাল হ্যাকার হিসেবে কাজ করেও বহু টাকা এবং ভালাে ক্যারিয়ার বানাতে পারেন।

আর যদি আমাকে প্রশ্ন করেন তবে আমি বলবাে, “সার্টিফিকেটের চেয়েও আপনি কতােটা কাজে পাঁকা, সেটা বেশি মূল্য রাখে” -যদি কম্পিউটিং, সিকিউরিটি, নেটওয়ার্কিং আপনার প্যাশন হয়, তবে আপনাকে কেউ একজন ভালাে হােয়াইট হ্যাট হ্যাকার হওয়া থেকে থামাতে পারবে না। ব্যাট ওয়্যারবিেিডর বেশিরভাগ পাঠকই এখনাে অধ্যায়নরত অবস্থায় রয়েছেন, তাই আমি রেকমেন্ড করবাে যদি প্রফেশনাল নৈতিক হ্যাকার হতে চান এবং হাই কোয়ালিটি ক্যারিয়ার করতে চান তবে অবশ্যই কম্পিউটার সায়েন্সের উপর ইঞ্জিনিয়ারিং করুণ এবং বিশেষ করে নেটওয়ার্কিং এ জোর দিন। একবার সার্টিফাইড এথিক্যাল হ্যাকার হয়ে গেলে, আপনার কদরই আলাদা হয়ে যাবে মার্কেটে। আপনি একে পার্মানেন্ট জব হিসেবেও করতে পারেন আবার চাইলে ফ্রিলান্স হিসেবেও করতে পারেন।

কম্পিউটিং জ্ঞান

একজন হ্যাকার হওয়ার জন্য আপনার অবশ্যই নেটওয়ার্কিং এর উপর পারদর্শিতা থাকা বাঞ্ছনীয়। সাথে সকল জনপ্রিয় কম্পিউটার অপারেটিং সিস্টেম সম্পর্কে ভালাে ধারণা থাকতে হবে সাথে ইউনিক্স/লিনাক্সের উপর বিশেষ পারদর্শিতা থাকতে হবে। সাথে লিনাক্সের বিভিন্ন ডিস্ট্রো এবং তাদের কম্যান্ড সম্পর্কে ভালাে আয়ােত্ব থাকা প্রয়ােজনীয়। পাশাপাশি কিছু প্রােগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ যেমন; সি, জাভা, পার্ল ইত্যাদি জানতে হবে এবং ডাটাবেজ যেমন; এসকিউএল সম্পর্কে ভালাে জ্ঞান থাকতে হবে।

আরেকটি কথা মনে রাখবেন, হ্যাকিং এ টেকনিক্যাল বিষয় এবং ঐ গুলাের উপর এক্সপার্ট হওয়ায় কিন্তু একমাত্র বিষয় নয়। টেকনিক্যাল জ্ঞান থাকার পাশাপাশি আপনাকে স্মার্ট হতে হবে, লােকজনের সাথে সহজেই সম্পর্ক তৈরি করার দক্ষতা থাকতে হবে, দ্রুত সমস্যা সমাধান করার ক্ষমতা এবং মানুষকে কৌশলে ফঁসানাের ক্ষমতা থাকতে হবে। আপনি যদি কাওকে কথা বলে তার দ্বারা আপনার কাজ করিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা রাখেন, তবে মনে করবেন আপনি ৫০% হ্যাকার হয়েই গেছেন। কেনােনা টেকনিক্যাল বিদ্যা খাটিয়ে কোন সিস্টেমকে হ্যাক করার জায়গায় ঐ সিস্টেমে বসে থাকা মানুষকে ধোঁকা দেওয়া অনেক সহজ, আর হ্যাকিং এর ভাষায় একে সােশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বলা হয়।

তবে একজন এথিক্যাল হ্যাকার হতে চাইলে অবশ্যই আপনাকে সৎ হতে হবে। ম্যালিসিয়াস হ্যাকারের মতাে ত্রুটি খুঁজে পাওয়ার পরে টাকার লােভে তার অপব্যবহার করা চলবে না। কোন নেটওয়ার্কে প্রবেশের পূর্বে অবশ্যই আপনার সেখানে প্রবেশ করার সম্পূর্ণ রাইট থাকতে হবে। অনৈতিক কাজের সাথে জড়িয়ে পড়া কিংবা ব্ল্যাক হ্যাট চিন্তা ভাবনা মাথায় আনাও আপনার ক্যারিয়ার ধ্বংস করে দিতে পারে, তাই খুব সাবধান। হ্যাকিংকে এমনিতেই সাধারণ মানুষ খারাপ নজরে দেখে, তাই অবশ্যই আপনাকে ১০০% সততা নিয়ে কাজ করতে হবে। এমনকি ক্যারিয়ার শুরুর আগেও কোন অনৈতিক কাজের সাথে যুক্ত থাকা চলবে না, কেনােনা আপনাকে চাকুরি দেওয়ার আগে কোম্পানি আপনার ব্যাকগ্রাউন্ড চেক করে দেখবে। তাই যখন থেকে আপনি সিদ্ধান্ত নেবেন আপনি একজন এথিক্যাল হ্যাকার হতে চান, ঠিক তখন থেকেই সৎ জীবনের শুরু করতে হবে।

266 Views
No Comments
Forward Messenger
. 26

How to access the dark web?
-
- -
Types of threats on the dark web.
-
- -
What is the Deep and Dark Web?
-
- -
What is a Black-Hat hacker?
-
- -
What is a white hat hacker?
-
- -
How to Hack Facebook Password Account”
-
- -
How to Facebook Fishing Hack 🤫
-
- -
Cyber Crime Bangla Tutorial
-
- -
Basics Press Notice
1
Technology Updates
10
Electronics
2
Android Programing
16
iOS Programing
2
Computer Programing
13
Wireless Fidelity
4
Hacking tutorials
15
Mobile Networks
3
Videos Programing
5
Movie Review
4
Freelancing
35
Web Development
18
Social Network
23
Politics News
2
Education Guideline
6
Religious Fiction
15
Magic Tricks
3
LifeStyle
17
Uncategorized
40
No comments to “এথিক্যাল হ্যাকিং কি? কীভাবে এথিক্যাল হ্যাকিং এ ক্যারিয়ার শুরু করবেন?”