Tamim Ahmed-
Tamim Ahmed
Freelancing
29 Dec 2021 (5 months ago)
Araihazar, Narayanganj, Dhaka, Bangladesh
কিভাবে গ্রাফিক্স ডিজাইন এবং ভিডিও এডিটিং করে অনলাইনে ইনকাম করা যায়?

GRAPHIC DESIGN

গ্রাফিক ডিজাইনের বিষয়ে বর্তমানে আমরা অনেকেই জানি। গ্রাফিক ডিজাইন অনেক অংশে বিভক্ত তাই ডিজাইন নিয়ে বিভিন্ন রকমের কাজ গ্রাফিক ডিজাইনের আওতায় পড়ে। যেমন ধরুন ছবি এডিট করে প্রিন্ট করাও এক ধরনের গ্রাফিক ডিজাইন। কারণ গ্রাফিক ডিজাইন রিলেটেড সফটওয়্যারগুলো ব্যবহার করেই ছবির কাজ করা হয়। অন্যদিকে কোনো ধরনের ব্যানার, পোস্টার, মনোগ্রাম, বইয়ের কভার, সিডির ডিস্ক কাভার, সিনেমার পোস্টার ইত্যাদি এই সব গ্রাফিক ডিজাইনের আওতায় পড়ে। চলুন জেনে নেওয়া যাক অনলাইনের জন্য কোন কাজগুলো গ্রাফিক ডিজাইন ক্যাটাগরিতে বেশি পাওয়া যায়?

  • 1. Logo Design
  • 2. Banner Design
  • 3. Movie Poster Design
  • 4. Photo Editing
  • 5. Photo Retouch
  • 6. Book Cover Design
  • 7. Brouchar Design
  • 8. Brochure Design
  • 9. Abstract Design
  • 10. Leaflet Design ইত্যাদি।
  • উপরে দেওয়া ১০টি কাজের থেকে আরও অনেক ধরনের কাজ রয়েছে গ্রাফিক ডিজাইন ক্যাটাগরিতে। আসলে গ্রাফিক ডিজাইনের পুরো ব্যাপারটি হলো আপনার আর্ট করার অভিজ্ঞতার ওপর নির্ভর করে। আপনি যদি ভালো আর্ট করার অভিজ্ঞতা রাখেন তবে যে-কোনো ধরনের গ্রাফিক ডিজাইন আপনি করতে পারবেন, যদি গ্রাফিক ডিজাইন করার সফটওয়্যারগুলো আপনি শিখে নেন। তাহলে সেই সফটওয়্যারগুলোতে আপনি আপনার কল্পনার আর্টটি করে ফেলতে পারেন।

    গ্রাফিক ডিজাইন করতে হলে যে সফটওয়্যারগুলোর কাজ শিখতে হবেঃ

  • 1. Adobe Photoshop
  • 2. Adobe Illustrator
  • 3. Adobe Indesign ইত্যাদি।
  • গ্রাফিক ডিজাইন করার জন্য মূলত এই সফটওয়্যারগুলো জানলেই হবে। কিন্তু কাজের গতি আরও বাড়ানোর জন্য আপনি নিচে দেওয়া সফটওয়্যারগুলোও শিখতে পারেন, যেখানে অনেক কিছুই রেডিমেড করা থাকে। আপনাকে শুধু সেগুলো ব্যবহার জানতে হবে। যেমন ধরুন কোনো মনোগ্রাম বা লোগো ডিজাইন করবেন। আপনি বিভিন্ন প্রকার Shape এই সফটওয়্যারগুলোতে পাবেন এবং কালার মেচিং-এর একটি ব্যাপার থাকে, যার জন্য এই সফটওয়্যারগুলো রিকমান্ডেডঃ

  • 1. Gimp
  • 2. Inkscape
  • 3. Coreldraw
  • 4. Serif Drawplus
  • 5. Xara Xtreme
  • 6. Coral Paintshop
  • 7. Coral Photo Impact ইত্যাদি।
  • ধরুন আপনাকে কেউ একটি লিফলেট ডিজাইন করতে দিল, এখন আপনি বিভিন্ন ফরম্যাটে এটি করতে পারেন। সবচেয়ে ভালো কালার ও ফরম্যাট দিয়ে ডিজাইনটি করে দিলে আপনার ক্রেতাও খুশি থাকবেন।

    সুতরাং, গ্রাফিক ডিজাইন শিখতে হলে আপনাকে এসব জিনিস নিয়ে ভালো ধারণা রাখতে হবে। ছবি এডিটিং সম্পর্কে যদি বলি, তবে একজন মানুষের একটি Raw Picture অর্থাৎ শুধু Default Camera দিয়ে তোলা একটি ছবিকে এডিটিং করে সুন্দর ও পরিষ্কার করে ফেলাই হলো ফটো এডিটিং-এর কাজ। অন্য কাজগুলোর থেকে গ্রাফিক ডিজাইনের কাজটি অনেক মজার এবং সহজও।

    মজার ব্যাপার হলো, আমাদের দেশে কোনো স্টুডিওতে একটি ছবি তুলে ৬ ইঞ্চি বাই ৩ ইঞ্চি সাইজে প্রিন্ট করে নিলে হয়তো ৫০ টাকা দেওয়া হয়। কিন্তু আপনি জেনে অবাক হবেন যে এ রকম একটি ছবি তুলে কোনো বিদেশি ব্যক্তি আপনাকে পাঠিয়ে সেটিকে পরিষ্কার করে এডিট করে দিতে বললে তিনি আপনাকে ২০-৩০ ডলার পর্যন্ত পেমেন্ট করবেন যা বাংলাদেশি টাকায় ১৫০০-২০০০ টাকা।

    এছাড়াও বর্তমানে পৃথিবীর যত কোম্পানি রয়েছে এবং নতুন নতুন কোম্পানি তৈরি হচ্ছে, তারা তাদের সার্ভিসের ব্র্যান্ডিং ও মার্কেটিং করার জন্য বিভিন্ন প্রকার লোগো/মনোগ্রাম, ব্যানার, অ্যাডভারটাইজমেন্টের ছবি, লিফলেট, ব্রোচার ইত্যাদি ইত্যাদি অনেক প্রকার ডিজাইন ফ্রিল্যান্সারদের দ্বারা করিয়ে নেন যা একজন ফ্রিল্যান্সার গ্রাফিক ডিজাইনার হিসেবে কাজ করে ভালো অর্থ উপার্জন করতে পারেন।

    সুতরাং, গ্রাফিক ডিজাইনেও একটি ভালো ক্যারিয়ার রয়েছে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে কোনটি আপনি শিখবেন? কোনটি আপনার জন্য ভালো হবে, সে ব্যাপারে এরপরের অধ্যায়ে আলোচনা করা হয়েছে।

    PHOTO EDITING/CLIPPING PATH / PHOTO MANIPULATION

    এই স্কিলগুলোও প্রকৃতপক্ষে গ্রাফিক ডিজাইনের একএকটি অংশ। ফটো এডিটিং, ক্লিপিং পাথ, ফটো মেনিপুলেশন বলতে আসলে যা বোঝায় তা জানা আবশ্যক।

    ফটো এডিটিং বলতে পূর্বের আলোচনার ব্যাপারগুলোই বোঝায়।

    অন্যদিকে Clipping Path বলতে কোনো ছবির Background মুছে দিয়ে একদম সাদা বা ট্রান্সপারেন্ট রাখাকেই বোঝায়। এখন আপনি ভাবতে পারেন যে ব্যাকগ্রাউন্ড তো মোবাইলের অ্যাপস দিয়েও রিমুভ করা যায়। না, আসলে এই ব্যাপারটি এত সাধারণ নয়। আমরা যেভাবে ব্যাকগ্রাউন্ড রিমুভ করি, সেগুলো খুব একটা পারফেক্ট হয় না। নিচের ছবিটি লক্ষ করুন, তাহলে বুঝতে পারবেন Clipping Patch বলতে বস্তুত কী ধরনের কাজকে বোঝায় :

    এই ছবিটির দিকে লক্ষ করলে দেখবেন ব্যাগটির কোনো পরিবর্তন ঘটেনি, শুধু মাত্র পিছনের কালারটি চলে গেছে। এত নিখুঁতভাবে ব্যাকগ্রাউন্ডটি রিমুভ করা হয়েছে, যা মোবাইলের কোনো অ্যাপস দিয়ে করা সম্ভব নয়। এই ছোট ছোট কাজগুলো বিভিন্ন ই-কমার্স ওয়েবসাইটের প্রোডাক্টের ব্যাকগ্রাউন্ড সাদা করে আপলোড করার জন্য করা হয়ে থাকে।

    অন্যদিকে Photo Manipulation বলতে সহজ অর্থে একটি ছবিকে ব্যাকগ্রাউন্ড পরিবর্তন করে ছবির কালার পরিবর্তন করে আরও আকর্ষণীও করে তোলাকে বোঝায়। নিচের ছবিটি লক্ষ করুন :

    এই হলো ফটো মেনিপুলেশন
    যা-ই হোক, আশা করা যায় আপনি গ্রাফিক ডিজাইন সম্পর্কে একটি ভালো ধারণা পেয়েছেন।

    VIDEO EDITING

    টেলিভিশনের আবির্ভাব হওয়ার পর থেকেই আমরা ভিডিও ফুটেজের মাধ্যমে অনেক কিছু দেখি। বর্তমানে ভিডিও ছাড়া চলে না বললেই হয়। জনপ্রিয় ওয়েবসাইট ইউটিউবে গেলেই দেখা যায় বিভিন্ন রকমের ভিডিও। নাটক, সিনেমা, মিউজিক ভিডিও, প্রোডাক্টের অ্যাডভারটাইজমেন্ট বা বিজ্ঞাপনের অ্যাডের ভিডিও দেখা যায়। আপনাকে ধরে নিতে হবে কেউ না কেউ এই ভিডিওগুলো এডিটিং করেছেন এবং তারপরেই এগুলো দেখতে কালারফুল এবং আকর্ষণীয় দেখায়। সুতরাং ভিডিও এডিটিং জানলে আপনি ফ্রিল্যান্সিং-এর মাধ্যমেও বিদেশের ভিডিও এডিটিং করে অর্থ উপার্জন করতে পারবেন অথবা বাংলাদেশি মিডিয়া কোম্পানিতেও আপনি চাকরি করতে পারবেন। এই স্কিল থাকলে কাজের ভালো সুযোগ রয়েছে। তো চলুন জেনে নিই কোন কোন সফটওয়্যার সম্পর্কে জানলে ভিডিও এডিটিং করা সম্ভব। নিচে ভালো কিছু রিকমান্ডেড ভিডিও এডিটিং সফটওয়্যারের লিস্ট দেওয়া হলো

  • 1. Adobe Premiere Pro
  • 2. Adobe After Effects
  • 3. Adobe Premiere Elements
  • 4. Cyberlink Power Director
  • 5. Filmora
  • 6. Vegas Pro
  • 7. Imovie
  • 8. Wideo
  • 9. Hitfilm
  • 10. Ulead Video Studio ইত্যাদি।
  • এসব ভিডিও এডিটিং সফটওয়্যার খুবই জনপ্রিয়। কিন্তু ভিডিও এডিটিং-এর কাজ করতে হলো যে আপনাকে সব সফটওয়্যারগুলো শিখতে হবে এমন কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। মজার বিষয় হলো, এখানে সব ধরনের সফটওয়্যারে ফাংকশনালিটি প্রায় একই রকম। একটু কম বেশি হতে পারে। তাই আপনি ২-৩টি জানলে বাকিগুলো সহজেই শিখে নিতে পারবেন। প্রথম সিরিয়ালে যেগুলো দেওয়া আছে সেগুলোই সবচেয়ে ভালো। এগুলো দিয়েই আসলে Bollywood, Hollywood, Tollywood-এর সিনেমা এডিট করা হয়।

    ১টি ৪০ সেকেন্ডের অ্যাড তৈরি করে দিলে ফ্রিল্যান্সিং-এর মাধ্যমে প্রায় ২০০ ডলার পর্যন্ত পাওয়া সম্ভব, যা বাংলাদেশে ১৫-১৬ হাজার টাকা।

    সুতরাং, ভিডিও এডিটিং-এর কাজেও ভালো ক্যারিয়ার গড়া সম্ভব, যা কখনও থেমে যাবে না। কারণ বর্তমানে ভিডিও এডিটিং এর প্রচুর প্রয়োজন হয় এবং সেটি আমরা একটু গভীরভাবে চিন্তা করলেই বুঝতে পারি, কোম্পানির বিজ্ঞাপনের জন্য একটি ভিডিও কত গুরুত্বপূর্ণ।

    ARCHITECTURE DESIGN

    আর্কিটেকচার ডিজাইন/অটোকেড-এর কাজ সম্পর্কে লেখাপড়া করার সুযোগ বাংলাদেশে রয়েছে। অন্যদিকে আপনি যদি এটি না জেনে থাকেন তাহলে কোর্স করতে হবে। যারা কম্পিউটার ডিপ্লোমা নিয়ে আর্কিটেকচার ডিজাইনের ওপরে কাজ করেন তারা বিভিন্ন বিল্ডিং-এর নকশা বা স্ট্রাকচার তৈরি করে থাকেন, যেটি দেখে বিল্ডিংটি তৈরি করা হয়। তাই বিদেশে তৈরি হচ্ছে নতুন নতুন বিল্ডিং, যেগুলোর নকশা ডিজাইনের কাজগুলোও এখন ফ্রিল্যান্সারদের দিয়ে করানো হয়। আপনি যদি ইতোমধ্যে আর্কিটেকচার ডিজাইনের ওপর লেখাপড়া করে থাকেন, তবে আপনার জন্য এটি একটি প্লাস পয়েন্ট। আপনি এটির পাশাপাশি অন্য কিছু শিখে কাজ শুরু করতে পারেন।

    376 Views
    1 Comment
    Forward Messenger
    . 38

    Craigslist Update News
    -
    - -
    Android Studios Earning Apps
    -
    - -
    Basics Press Notice
    1
    Technology Updates
    9
    Electronics
    2
    Android Programing
    16
    iOS Programing
    2
    Computer Programing
    13
    Wireless Fidelity
    4
    Hacking tutorials
    15
    Mobile Networks
    3
    Videos Programing
    5
    Movie Review
    4
    Freelancing
    33
    Web Development
    18
    Social Network
    23
    Politics News
    2
    Education Guideline
    6
    Religious Fiction
    15
    Magic Tricks
    3
    LifeStyle
    17
    Uncategorized
    39
    1 comment to “কিভাবে গ্রাফিক্স ডিজাইন এবং ভিডিও এডিটিং করে অনলাইনে ইনকাম করা যায়?”

    1. Rakibul (new) (5 months ago)

      Hi