Tamim Ahmed-
Tamim Ahmed
Freelancing
2 Jan 2022 (4 months ago)
Araihazar, Narayanganj, Dhaka, Bangladesh
ফ্রিল্যান্সিং শুরু করার আগে যেসব বিষয় জেনে রাখা উচিত?

কোন ট্রেনিং সেন্টার ভালো?

আপনি যদি কোনো ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণের ইনস্টিটিউট দেখে থাকেন, তবে অবশ্যই সেখানকার প্রশিক্ষণার্থীদের সাথে আগে যোগাযোগ করুন। তাদের কাছে শুনুন তারা কতজন ভালো করে শিখেছেন বা ফ্রিল্যান্সিং-এ সফল হয়েছেন। ট্রেইনারদের এই বিষয়ে অভিজ্ঞতা কতটুকু। কাজ শিখে কোথাও কাজ না করে সরাসরি কাজ শেখানোর অভিজ্ঞতা আর কাজ শিখে ফ্রিল্যান্সিং-এর কাজ করে অভিজ্ঞতা নিয়ে তারপরে কাউকে শেখানো আকাশ জমিন তফাত।

সুতরাং বর্তমানে প্রতারণার শিকার অনেকেই হচ্ছে বলে সেদিকে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।

যেভাবে একজন সফল ফ্রিল্যান্সার হওয়া যায়

বর্তমানে গার্মেন্টস ফ্যাক্টরিগুলোতে কাঙ্ক্ষিত চাকরির সাথে OVER TIME নামেও একটি ব্যাপার রয়েছে। এর মানে হচ্ছে আপনি যদি একজন কর্মচারী হয়ে থাকেন, তবে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত আপনার অফিস থাকে। কিন্তু আপনি যদি রাত ৮টা বা ১০টা পর্যন্ত বেশি কাজ করেন বা ওভারটাইম করেন তাহলে আপনাকে আরও বাড়তি সেলারি প্রদান করা হবে।

ঠিক ফ্রিল্যান্সিং-এর দিকে ব্যাপারটিও প্রায় একই। আপনি যদি শুধুই ওয়েব ডেভেলপার হয়ে থাকেন, তাহলে এমনও সময় হতে পারে যে আপনি সারা মাস কাজ পেলেন না। মাসের শেষে গিয়ে ২০০-১০০০ ডলারের একটি কাজ পেয়ে গেলেন। কিন্তু বাকি এক মাস আপনি কি বসে থাকবেন? কখনই না। অবশ্যই আপনার ফ্রি টাইমগুলোতে আপনি বেশি আয় করার জন্য মাল্টিস্কিল অর্জন করতে পারেন। যেমন আমি একজন ওয়েব ডেভেলপার হয়েও পাশাপাশি ডাটা এন্ট্রির কাজ করে থাকি আবার কখনো গ্রাফিক্স ডিজাইনও করে থাকি, আবার কখনো কখনো কল সেন্টার সাপোর্ট ম্যানাজের হিসেবেও কাজ করি, ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবেও কাজ করি। কারণ আমার এসব অভিজ্ঞতা রয়েছে। কিন্তু এসব একদিনে হয়নি। আমি আগে ওয়েব ডেভেলোপমেন্ট শিখেছি। ভালোভাবে কাজ করার পরে পাশাপাশি সেগুলোও শিখেছি। আর এসবের জন্য জীবন থেকে অনেক বিনোদনের সময়কে স্যাক্রিফাইস করতে হয়েছে। অনেক ঘুমকে স্যাক্রিফাইস করতে হয়েছে। তাই বলতে চাই—

‘যত পরিশ্রম তত উন্নতি।

কতটুক শিখলে কাজ শুরু করা যাবে

কতটুক শিখলে কাজ শুরু করা যাবে তা নির্ভর করে আপনি যে কাজটি করবেন সেটি কী ধরনের। এক্ষেত্রে আপনার কাজ শিখার পরে যদি মনে হয় আমি কাজ করার জন্য প্রস্তুত, তাহলে ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে ভিজিট করে প্রজেক্টগুলো দেখুন। প্রজেক্টের ডেসক্রিপশন ভালো করে পড়ুন, পড়ার পর যদি মনে হয় বায়ার যে ডিমান্ডগুলো দিয়েছে সেগুলো আপনি করতে পারবেন, তাহলে আপনি সেই প্রজেক্টের জন্য প্রস্তুত। কাজ শিখলেই যে আপনি সবগুলো প্রজেক্ট করতে পারবেন এমনটি নয়।

ক্যারিয়ার পরিকল্পনা নিয়ে কিছু মোটিভেশন

আমরা অনেকেই বলে থাকি যে, দেশে চাকরি পাওয়া যায় না। আবার অন্যদিকে বলা হয় যে যোগ্য প্রার্থী নেই। কিন্তু বাস্তব হলো, যোগ্য ক্যারিয়ার পরিকল্পনা নেই। আমি একটি ছোট্ট হিসাব দিচ্ছি। একটু ভেবে দেখুন।

আপনি যদি গ্র্যাজুয়েশন শেষ করে তারপর চাকরির খোঁজ করেন তবে হয়তো আপনার শিক্ষা অনুযায়ী যোগ্য চাকরিটি পেতে জুতা ক্ষয় হবে। হয়তো একদিন পেয়েও যাবেন। খুব কম মানুষই আছে যারা প্রথমবারেই একটা ভালো স্যালারির চাকরি পেয়ে থাকেন। তাদের কথা না হয় বাদ দেওয়া যাক।

গ্র্যাজুয়েশন শেষ করতে আর ভালো একটি চাকরি পেতে আমাদের প্রায় ২৭-২৮ বছর বয়স হয়ে যায়। আবার এমনও হয় যে ৩০ বছর বয়সেও ভালো কোনো চাকরি মেলে না, অন্যদিকে ব্যবসা করার মনমানসিকতাও থাকে না। ৩০ বছরে মাত্র এই জিনিসটির পেছনে দৌড়ালেন? বাঁচবেন কতদিন? গড় আয়ু ৬০ ৬৫ ধরে নিন। বাকিটা আল্লাহর ইচ্ছে। জীবনের প্রায় ৫০% দিয়ে দিচ্ছেন লেখাপড়া আর চাকরির খোঁজার পেছনে। বাবা-মা’কে সাপোর্ট করবেন কখন? নিজের ফ্যামিলি তৈরি করবেন কখন? আর বাকি ৫০% লাইফে ভালো কিছু হবে বলে মনে হচ্ছে কি?

হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কিন্তু সেরকম মানসিকতা, এনার্জি আর Passion আমাদের দেশের মানুষের নেই বললেই চলে।

সুতরাং এভাবে চিন্তা করে জীবনে কখনো বড় কিছু হওয়া যায় না। জীবনে সফলতা আর সার্থকতা চাইলে স্কুল-কলেজ জীবন থেকেই নিজের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা করতে হবে। শুধু লেখাপড়ায় জীবনের প্রায় ৫০% সময় দিয়ে দিলে আপনি আর উঠে দাঁড়াতে না-ও পারেন। তাই যা করার সময় থাকতে করে নিন। প্রশ্ন আসতে পারে যে কী করা যায়।

হ্যাঁ অনেক কিছুই করা যায়। কমফোর্ট জোন থেকে বের হতে হবে। OUT OF THE BOX চিন্তা করতে হবে। তাহলে ভালো কিছু করা সম্ভব। OUT OF THE BOX মানে হচ্ছে, আমি একটি সমাজে বা একটি দেশে বাস করি আর এই দেশে কী হচ্ছে না হচ্ছে, কে কোন ক্যারিয়ার বেছে নিচ্ছে আমিও নেব এটা সেটা না ভেবে আজ সারা বিশ্বে মানুষ কীভাবে ক্যারিয়ার গড়ছে এবং কীভাবে সময়কে কাজে লাগাচ্ছে সেটি ভাবা। আজকে আমার মতে, যুবক-যুবতীর জন্য সময় নষ্ট করার মাধ্যম ফেসবুক ইউটিউবসহ বিভিন্ন স্যোশাল মিডিয়া। এর মানে এই নয় যে এখানে সবাই সময় নষ্ট করেন। কিন্তু অধিকাংশ ছেলে-মেয়ে সময় নষ্ট করে থাকেন। সময়ের লেখাপড়া সময়ে না করে বই নিয়ে বসেও ফেসবুক ওপেন থাকে আজকাল অনেকেরই। এক্ষেত্রে পড়ালেখায় মন থাকে না ঠিকমতো। যা-ই হোক, সেদিকটা নিয়ে লেখার প্রয়োজন নেই। নিজের ভালোটা নিজে বুঝতে হবে— এটাই মুখ্য বিষয়।

THINK OUT OF THE BOX !! কীভাবে? MARK ZUCKERBERG-কে আমরা সবাই চিনি। যিনি ফেসবুক নির্মাতা। ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০০৪ তিনি ফেসবুক তৈরি করেন। তিনি যখন স্কুল কলেজ লাইফে ছিলেন তখন থেকেই কোডিং প্রোগ্রামিং নিয়ে রিসার্চ করতেন গুগলে এবং বিভিন্ন রকমের সফটওয়্যার ও গেম তৈরি করতেন। এরপর থেকেই তিনি হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটি লাইফে এটি নিয়ে এগিয়ে যান। পর্যায়ক্রমে ফেসবুক ২০০৫ ২০১০/২০১২ সালের মধ্যে ভালো খ্যাতি অর্জন করে এবং তিনি সফল হন। ২০০৬ সালের দিকেই তিনি মিলিয়নার হয়েছেন। যখন তার বয়স ছিল ২২ বছর। হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটি থেকে গ্র্যাজুয়েশন শেষ করেছেন ৩৩ বছর বয়সে। এখন তিনি বিলিনিয়ার।

এবার আপনি ভাবুন, একটি ছেলে হয়ে যদি মাত্র ২২ বছর বয়সে মিলিয়ন (১০ লাখ = প্রায় ৮ কোটি বাংলাদেশি টাকা) ডলার উপার্জন করতে পারে তাহলে তার মতো ২২ বছর বয়সে আপনি কি অন্তত ৫% করতে পারেন না? ২% করলেও ১৫-১৬ লাখ টাকার মালিক। আর মনে রাখবেন টাকার মালিক হতে গিয়ে তিনি অবৈধ রাস্তা ফলো করেননি। সবকিছুই ঠিক রেখেছিলেন। লেখাপড়া একটু ডাউন হওয়ার কারণে হয়তো ৩৩ বছর বয়সে গিয়ে গ্র্যাজুয়েট হয়েছেন। তাতে কী? লেখাপড়ার কোনো বয়স নেই। সারাজীবন শেখা যায়।

এখন আপনি হয়তো মনে মনে ভাবছেন যে, সব উপরওয়ালা দিয়েছেন। ভাগ্য ছিল, তার যথেষ্ট ফ্যাসিলিটি ছিল। কারণ তিনি আমেরিকান বাসিন্দা এটা সেটা। কিন্তু you are the maker of your own fortune! সৃষ্টিকর্তা অন্তর্যামি। তিনি সব জানেন কিন্তু আপনার ভাগ্য পরিবর্তনের রাস্তা বন্ধ রাখেননি। সুতরাং অজুহাতে কাজ হবে না। এতে নিজের পায়ে নিজেই কুড়াল দেওয়া হবে। মার্ক জুকারবার্গের কাছে কম্পিউটার আর ইন্টারনেট ছিল সেই ২০০৪ সালে। আর আজ আমাদের হাতের মুঠোয় স্মার্টফোন, অনেকের কাছে কম্পিউটার, ল্যাপটপ রয়েছে, ইন্টারনেট রয়েছে। কোনটি নেই আমাদের কাছে? তারপরও অজুহাত কীভাবে আসতে পারে?

মনে আছে? কবি বলেছিলেন— ‘একবার না পারিলে দেখো শতবার‘।

কয়জন রয়েছেন যারা একটি কাজ, যেটি করলে মার্ক জুকারবার্গের মতো করে ২২ বছর বয়সে অন্তত ১% করতে পারবেন এবং সেটি শতবার চেষ্টা করেছেন? ১% ও খুঁজে পাওয়া যাবে না, শতবার তো দূরের কথা। ৩-৪ বার একটা ব্যবসা করতে গিয়ে লস খেয়ে আমরা কপালে একটি থাপ্পড় দিয়ে বলি যে ‘এটি আমার ভাগ্যে নেই। আসলে ভাগ্যে থাকা না থাকার ব্যাপার না। আপনার এনার্জি নেই। আজ যারা সফল তারা শতবারের বেশি চেষ্টা করে সফল ও সার্থক হয়েছেন। আমরা একটি গেম খেলতে গিয়ে লেভেল পার করার জন্য হাজারবার চেষ্টা করি। কিন্তু জীবনে বড় কিছু করার জন্য ২০ বারও চেষ্টা করে দেখি না। তার আগেই এনার্জি হারিয়ে ফেলি। আর লেখাপড়া শেষে চাকরি না পেলে বলে থাকি যে মামা-চাচা নেই। ভালো চাকরি নেই। মনে রাখবেন, জীবনে বড় হতে গেলে অভিজ্ঞতার প্রয়োজন হয়, সঠিক ক্যারিয়ার পরিকল্পনার প্রয়োজন হয়, মামা-চাচার নয়। সেটি হোক না কোনো চাকরি দিয়ে বা ব্যবসা করে। জীবনে বড় হতে গেলে রাস্তা বদলান উদ্দেশ্য নয়! ।

আমরা আজ ফেসবুক ব্যবহার করি। বিদেশিরাও করে। কিন্তু তফাতগুলো একটু ভেবে দেখবেন। তারা আমাদের মতো এত সময় নষ্ট করে না। সারাদিন ফেসবুকে থাকে না। ইউটিউব দেখে না। দেখলেও প্রয়োজনের জন্য।

প্রায় সময় আমরা এমন কিছু কাজ করতে গিয়ে ভাবি যে এই কাজটি করলে হয়তো আশপাশের মানুষ খারাপ ভাববে। কিন্তু আপনি হয়তো এটি জানেন না যে সেই কাজের মধ্যেই আপনার ভালো একটি হতে পারত। যেটি আপনি করেননি শুধু অন্যের কথা না শোনার জন্য। তবে একটি কথা ভেবে দেখুন : ‘অন্যরা কী ভাববে সেই একই কথা যদি আপনি নিজেও ভাবেন তাহলে তারা কী ভাববে? সুতরাং সেই ভাবনার কথাগুলো তাদেরই ভাবতে দিন।’ আপনি আপনার কাজ চালিয়ে যান।

সফলতার সিক্রেট

আমরা সবাই সফল হতে চাই। কিন্তু তার জন্য ঠিকমতো নিয়ম অনুযায়ী কাজ করতে চাই না। সফলতার সিক্রেট হলো :
The secret lies in the fact that successful people formed the habit of doing things that failures donot like to do.
‘সফল মানুষেরা সেইসব জিনিসগুলো করার অভ্যাস করেছে যেগুলো অসফল মানুষেরা করতে পছন্দ করে না।’

আমারও সকালে ঘুম থেকে উঠতে ভালো লাগে না। আপনারও সকালে ঘুম থেকে উঠতে ভালো লাগে না।

কিন্তু আমি রোজ সকালে ঘুম থেকে উঠে উঠে ওঠার অভ্যাস করেছি।

আমারও সকালে ঘুম থেকে উঠে পড়তে বসতে ভালো লাগে না। আপনারও ভালো লাগে না। কিন্তু আমি রোজ সকালে ঘুম থেকে উঠে পড়তে বসে বসে অভ্যাস করেছি।

আমারও বিকালবেলা বন্ধুদের সাথে আড্ডা না মারলে ভালো লাগে না। আপনারও ভালো লাগে না।

কিন্তু আমি রোজ আড্ডা না দিয়ে না দিয়ে আড্ডা কমিয়ে ফেলেছি আমারও ফেসবক ব্যবহার না করলে ভালো লাগে না। আপনারও ফেসবুক ব্যবহার না করলে ভালো লাগে না। কিন্তু আমি ফেসবুক নাঢুকে না ঢুকে অকাজে ফেসবুক ব্যবহার না করার অভ্যাস করে ফেলেছি।

আমারও গভীর রাত পর্যন্ত বই পড়তে ভালো লাগে না। আপনারও গভীর রাত পর্যন্ত বই পড়তে ভালো লাগে না। কিন্তু আমি গভীর রাত পর্যন্ত বই পড়তে পড়তে অভ্যাস করে ফেলেছি।

আমার অন্যের কাছে কোনোকিছু শেখার জন্য অনুরোধ করতে লজ্জাবোধ করে। ইগো প্রব্লেম অনেক। আপনারও এটি হয়।

কিন্তু আমি জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে যখনই ঠেকে গিয়েছি আরেকজনের কাছে শিখে নিয়ে এখন বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বেশরম হয়ে গিয়েছি। সুতরাং, সফল মানুষরা সেটিই করে যেটি এভারেজ মানুষদের ভালো লাগে না। এটিই তফাত!

কিন্তু এর মানে কী? যে অসফল ব্যক্তিরা যেটি করতে পছন্দ করে না বা ভালো লাগে না, সেটি সফল ব্যক্তিদের করতে ভালো লাগে। উত্তরটি নেগেটিভ।

সফল ব্যক্তিদেরও এই কাজগুলো করতে ভালো লাগে না। কিন্তু তারা স্যাক্রিফাইস দিয়ে করে।

এবার পক্ষান্তর আমারও টিভি দেখতে ভালো লাগে। আপনারও ভালো লাগে।

কিন্তু আপনি টিভি দেখতে দেখতে বেশি বেশি দেখার অভ্যাস করে ফেলেছেন। আর আমি না দেখে না দেখে না দেখার অভ্যাস করেছি।

আমারও কাউকে কমিটমেন্ট দিয়ে অজুহাত দিতে ভালো লাগে না। আপনারও অজুহাত দিতে ভালো লাগে না। কিন্তু আমি অজুহাত না দিয়ে না দিয়ে না দেওয়ার অভ্যাস করেছি।

আপনি হয়তো অজুহাত দিয়ে দিয়ে দেওয়ার অভ্যাস করে ফেলেছেন।

আমারও রাত জেগে ভিডিও টিউটোরিয়াল দেখে ভালো কিছু শিখতে ভালো লাগে না। আপনারও ভালো লাগে না। আপনি হয়তো নাটক সিনেমা বা মিউজিক ভিডিও দেখতে দেখতে অভ্যাস করে ফেলেছেন। আর আমি টিউটোরিয়াল দেখতে দেখতে অনেক কিছু শিখে ফেলেছি।

সুতরাং,

Your habits are your success!

আপনার অভ্যাসগুলোই আপনার সফলতা! তারপরেও সফলতা খুব অল্প কিছু মানুষের মাঝে আসে।

শেষ কথা

অভিজ্ঞতা থেকে শুধু এতটুকুই বলব, আমরা আরেকজনকে দেখে অনুপ্রাণিত হই ঠিকই। কিন্তু তার মতো করে চলতে পারি না বলেই আমরা সফল হতে পারি না। আমি যে সময়ে রাত জেগে জেগে বইটি লিখেছি। সে সময়ে হয়তো আমাকে দেখে অনুপ্রাণিত হওয়া অনেক মানুষ ফেসবুক নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন। আমার আর তাদের মধ্যে হয়তো এতটুকুই পার্থক্য।

সুতরাং, আপনি যাকে আইডল ভাবেন, যাকে দেখে অনুপ্রাণিত, যদি নিজের চলাফেরা, ব্যবহার, ম্যাচুরিটি তার মতো করে সাজাতে না পারেন, তাহলে আপনি কখনো তার মতো হতে পারবেন না।

বিশ্বাস না হলেও সত্য, সফল মানুষগুলো যেভাবে উক্তি দিয়ে গিয়েছেন, সেগুলো যদি আমরা প্রতিদিন অন্তত ৫% করে মেনে চলার চেষ্টা করি, আমাদের জীবন বদলে যাবে। কিন্তু আমরা মনোযোগী হতে পারি না বলেই সবকিছুই আমাদের কাছে কঠিন লাগে।

আমি দেখেছি আমার আপন ছোট ভাইকে। তার অপারেশন হওয়ার পরেও সে ঐ অবস্থায় কাজ শিখেছে কম্পিউটারে বসে। জীবনে ভালো কিছু করতে হলে নিজেকে পরিশ্রম কীভাবে করতে হবে, এর থেকে বড় উদাহরণ আর হয় না।

সুতরাং, আমাদের জীবনের সবচেয়ে বড় শত্রু হলো “অজুহাত”।

এর ফলে আমরা নিজেদের অনেক অলস বানিয়ে ফেলি। সুতরাং, জীবনে বড় বড় স্বপ্ন দেখতে হবে, সেই স্বপ্ন অনুযায়ী কাজ করতে হবে। আর সবচেয়ে মূল্যবান কথা হলো, আগে সবাইকে ভালো মানুষ হতে হবে। অ্যাপ

If you are born poor, it’s not your mistake, but if you die poor it’s your mistake…

– Bill Gates

517 Views
1 Comment
Forward Messenger
. 45

Craigslist Update News
-
- -
Android Studios Earning Apps
-
- -
Basics Press Notice
1
Technology Updates
10
Electronics
2
Android Programing
16
iOS Programing
2
Computer Programing
13
Wireless Fidelity
4
Hacking tutorials
15
Mobile Networks
3
Videos Programing
5
Movie Review
4
Freelancing
35
Web Development
18
Social Network
23
Politics News
2
Education Guideline
6
Religious Fiction
15
Magic Tricks
3
LifeStyle
17
Uncategorized
40
1 comment to “ফ্রিল্যান্সিং শুরু করার আগে যেসব বিষয় জেনে রাখা উচিত?”

  1. coding teacher (new) (4 months ago)

    ফ্রিল্যান্সিংয়ে সবচেয়ে সহজে এবং ভালো পরিমাণ টাকা ইনকাম করা যায় কিসের মাধ্যমে?