Tamim Ahmed-
Tamim Ahmed
Freelancing
28 Dec 2021 (5 months ago)
Araihazar, Narayanganj, Dhaka, Bangladesh
মোবাইল এবং কম্পিউটার অ্যাপস ডেভেলপমেন্ট করতে কি কি জানা লাগে এবং কিভাবে আয় করা যায়?

MOBILE APPS DEVELOPMENT


মোবাইল অ্যাপস আমরা সবাই চিনি। বর্তমান যুগে বেশি চলছে Android-এর ব্যবহার। আর তাই অ্যাপস কী কাজে ব্যবহার হয়, তা আর কারো অজানা নেই। আমরা প্রতিনিয়ত যে অ্যাপসগুলো ব্যবহার করি সেগুলোর মধ্যে হলো, ফেসবুক, মেসেঞ্জার, হোয়াটসঅ্যাপ, বিকাশ, ইনস্টাগ্রাম, ক্যামেরা ইত্যাদি আরও অনেক। আমরা সবসময় শুধু ব্যবহারেই পারদর্শী হই। কিন্তু তৈরি কীভাবে, কেন তৈরি, কে তৈরি করেছেন এসব নিয়ে তেমন একটা ঘাঁটাঘাঁটি করি না। যেটি আমাদের একটি চরম বোকামি ও ভুল। একবার ভাবুন তো, ফেসবুক, নির্মাতা মার্ক জুকারবার্গ কি কাজ একা করেছেন? ফেসবুক ওয়েবসাইট তৈরি, মোবাই 26 অ্যাপসটি ও মেসেঞ্জার, হোয়াটসঅ্যাপ সব কি তিনিই নিজের হাতে তৈরি করেছেন? না, কখনোই না। তিনি বিভিন্ন কাজ তার কর্মচারীদের দিয়ে করিয়ে থাকেন।

এসব কাজ করে নেওয়ার জন্য যেমন ফেসবুক নির্মাতা তার কর্মচারীদের পেমেন্ট করেন, ঠিক তেমনি এই পৃথিবীতে লাখ লাখ কোম্পানি এজেন্সি ও সার্ভিস প্রদানকারী রয়েছে, যারা তাদের কোম্পানি ও সার্ভিস মানুষের হাতের কাছে খুব সহজেই পৌঁছে দেওয়ার জন্য মোবাইল অ্যাপস তৈরি করে নেয়। যেমন ধরুন, Daraz.com একটি প্রোডাক্ট কেনার ওয়েবসাইট। এখানে ভিজিট করলে আমরা অনলাইনে প্রোডাক্ট কিনতে পারি। কিন্তু এই ওয়েবসাইটের আবার DARAZ APP কেন? তাহলেই এখান থেকেই বুঝতে হবে যে প্রতিটি কোম্পানি এখন তাদের অ্যাপস তৈরি করিয়ে নিচ্ছে। আর সেটি করে দিচ্ছে তারা যারা আজ অ্যাপস ডেভেলপার।

একটি ই-কমার্স ওয়েবসাইটের অ্যাপস তৈরি করে দিতে পারলে আনুমানিক ৩০০০ ডলার পর্যন্ত পাওয়া সম্ভব, যা বাংলাদেশে প্রায় দুই লক্ষ চল্লিশ হাজার টাকা।
অ্যাপস ডেভেলপমেন্ট শিখতে হলে যা যা শিখতে হবে :

  • 1. Java
  • 2. Sql
  • 3. Xml
  • 4. Android Studio Software
  • 5. Web Development
  • 6. And More Apps Development Softwares If Needed
  • এসব স্কিল অর্জন করলে একটি ডাইনামিক অ্যাপস তৈরি করা সম্ভব।

    ডাইনামিক ও সাধারণ অ্যাপস-এর পার্থক্য

    মাঝে মাঝে দেখা যায় কিছু পিডিএফ বইয়ের অ্যাপস পাওয়া যায়, ক্যামেরা অ্যাপস পাওয়া যায়। অর্থাৎ যে সমস্ত অ্যাপস-এ ইন্টারনেট সংযোগ ছাড়া ব্যবহার করা যায় সেগুলো সাধারণ স্ট্যাটিক অ্যাপস বলে। আর যেগুলো ব্যবহার করতে ইন্টারনেট লাগে যেমন, ফেসবুক, মেসেঞ্জার, হোয়াটসঅ্যাপ, বিকাশ ইত্যাদি। এসব ডায়নামিক অ্যাপস বলা হয়। সুতরাং ডাইনামিক অ্যাপস ডেভলপার হতে গেলে আপনাকে ওয়েব ডেভলপারও হতে হবে। কারণ ডায়নামিক অ্যাপস-এর অধিকাংশ কন্ট্রোলটি একটি ওয়েব অ্যাডমিন ড্যাশবোর্ড থেকে করা হয়।

    DESKTOP SOFTWARE DEVELOPMENT


    ডেক্সটপ সফটওয়্যার বলতে আমরা কম্পিউটার বা ল্যাপটপে যে সফটওয়্যারগুলো ব্যবহার করে থাকি সেগুলোকে বোঝায়। উদাহরণস্বরূপ Microsoft Word, Excel, Powerpoint, Anti Virus, Skype Video Calling ইত্যাদি। এসব সফটওয়্যার আমরা সবাই চিনি। এছাড়াও বিভিন্ন ব্যাংকে গেলে দেখবেন টাকা উত্তোলন ও জমা দেওয়ার জন্য সিরিয়াল টোকেন দেওয়া হয়। সেগুলো এক একটি সফটওয়্যার এর মাধ্যমে ম্যানেজ করা হয়। ব্যাংকের হিসাবপত্র ঠিক রাখার জন্য রিপোর্ট জেনারেশনের সফটওয়্যারও তৈরি করা হয়ে থাকে। ঠিক এ ধরনের সফটওয়্যার এক-একজন ডেস্কটপ সফটওয়্যার ডেভলপার বা ইঞ্জিনিয়ার তৈরি করে থাকেন।

    প্রকৃতপক্ষে যারা ডিপ্লোমা ইন কম্পিউটার সায়েন্স, সিএসই বা কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে লেখাপড়া করেন, তারা কেউ কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার হন, আবার কেউ সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হন। কিন্তু এর মানে এই নয় যে, আপনি যদি অন্যকোনো বিভাগে লেখাপড়া করেন তাহলে আর সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হতে পারবেন না। এই ধরনের চিন্তাভাবনা কখনো মাথায় রাখবেন না। মানুষের ব্রেইনে যে-কোনো জ্ঞান ধারণের ক্ষমতা মহান আল্লাহ তালা দিয়ে রেখেছেন। সুতরাং আপনি প্রতিষ্ঠানিক শিক্ষা দিয়ে এটি না শিখতে পারলেও ট্রেনিং সেন্টার বা ইউটিউব দেখেও শিখতে পারবেন। যেমন আমি একজন মানবিক বিভাগের ছাত্র হয়েও ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করতে পারি। এখানে আপনার চাই প্রবল ইচ্ছে শক্তি আর পরিশ্রম।

    চলুন যেনে নিই ডেস্কটপ সফটওয়্যার তৈরি করতে হলে কী কী প্রোগ্রামিং লেঙ্গুয়েজ শিখতে হবে—

  • 1. C
  • 2. C++
  • 3. C#
  • 4. Java
  • 5. Java Swing
  • 6. Dot Net Framework
  • 7. Python
  • 8. Ruby ইত্যাদি।
  • উপরে দেওয়া লিস্ট বাদ দিয়ে আরও নতুন কিছু প্রোগ্রামিং লেঙ্গুয়েজ বের হচ্ছেই। কিন্তু এসবের মধ্যে থেকে লিস্টে রাখা স্কিলগুলো জেনে রাখলে একজন ভালো মানের ডেস্কটপ সফটওয়্যার হওয়া সম্ভব। এগুলো দিয়ে আপনি চাইলে MAC ও IOS, iphone-এর সফটওয়্যার ও তৈরি করতে পারবেন। একটু লক্ষ্য করে দেখুন Java Programming Language টি Android অ্যাপস ডেভেলপমেন্টের ক্ষেত্রেও ব্যবহার করা হয়। তাই ভালো মানের ডেভেলপার হতে গেলে এগুলো সম্পর্কে ভালো জ্ঞান থাকলে কাজ করতে গিয়ে কখনো আটকে থাকবেন না।

    ওয়েব ডেভেলপমেন্ট ও মোবাইল অ্যাপস ডেভলপমেন্ট করে যে ধরনের পারিশ্রমিক বা অর্থ উপার্জন করা যায়, প্রকৃত পক্ষে ডেস্কটপ সফটওয়্যার একটু বেশি ব্যয়বহুল্য বলে এই কাজগুলো করে তার চেয়ে বেশি আয় করা যায়। বিভিন্ন কোম্পানি বর্তমানে ফ্রিল্যান্সারদের দ্বারা তাদের কোম্পানির জন্য বিভিন্ন সফটওয়্যার তৈরি করিয়ে নিচ্ছে। তাই কাজের রয়েছে অনেক সুযোগ। ভালো স্কিল থাকলে এই ক্যাটাগরিতেও কাজ করে উপার্জন করে আয় করা যায়। কিন্তু এগুলো শিখতেও ভালো সময় আর ধৈর্যের প্রয়োজন হয়। অন্যদিকে সবার এসব কাজ শেখার ধৈর্য ন 28 থাকতে পারে কিংবা ভালো নাও লাগতে পারে। কারো কাছে এগুলো শেখা একটা ভালোলাগা আবার কারো কাছে এগুলো শিখতে গিয়ে বিরক্তও লাগে।

    270 Views
    No Comments
    Forward Messenger
    . 32

    Craigslist Update News
    -
    - -
    Android Studios Earning Apps
    -
    - -
    Basics Press Notice
    1
    Technology Updates
    9
    Electronics
    2
    Android Programing
    16
    iOS Programing
    2
    Computer Programing
    13
    Wireless Fidelity
    4
    Hacking tutorials
    15
    Mobile Networks
    3
    Videos Programing
    5
    Movie Review
    4
    Freelancing
    33
    Web Development
    18
    Social Network
    23
    Politics News
    2
    Education Guideline
    6
    Religious Fiction
    15
    Magic Tricks
    3
    LifeStyle
    17
    Uncategorized
    39
    No comments to “মোবাইল এবং কম্পিউটার অ্যাপস ডেভেলপমেন্ট করতে কি কি জানা লাগে এবং কিভাবে আয় করা যায়?”