Tamim Ahmed-
Tamim Ahmed
Religious Fiction
7 Dec 2021 (5 months ago)
Araihazar, Narayanganj, Dhaka, Bangladesh
সৃষ্টিকর্তা কে? আল্লাহ বা ঈশ্বরকে কে সৃষ্টি করেছে?

সৃষ্টিকর্তা কে? আল্লাহ বা ঈশ্বরকে কে সৃষ্টি করেছেন? এই প্রশ্নটার সম্মুখীন অনেকেই হয়েছেন অথবা চিন্তা করেছেন। কিন্তু এর উত্তর মেলেনি। অথবা বৈজ্ঞানিকভাবে এর উত্তর নেই বললেই চলে। এই প্রশ্ন নিয়ে চিন্তা করতে করতে এক সময় মনে হয় ঈশ্বর মনে নেই। যেহেতু আল্লাহ আপনাকে সাধারণ জ্ঞান দিয়েছে সেক্ষেত্রে আপনার এই বিষয়ে চিন্তা করাটা স্বাভাবিক।

ধরুন আপনাকে যদি বলা হতো অথবা আপনি যদি জন্মের পর থেকেই জানতেন যে পৃথিবী কোনদিন সৃষ্টি হয়নি। পৃথিবীর কোন শুরু এবং শেষ নেই। তাহলে কিন্তু আপনি সেটা বিশ্বাস করতেন। কারণ পৃথিবীটা মানুষের পক্ষে সৃষ্টি করা সম্ভব নয়। আপনি যদি নাস্তিক হয়ে থাকেন তাহলে মানুষকেই জ্ঞানের ভান্ডার এর সবচেয়ে মহান বলে বিশ্বাস করবেন। কারণ বিজ্ঞানের দিক থেকে মানুষের এর চেয়ে জ্ঞানী অন্য কোন প্রাণী নেই।

কিন্তু আমরা বিশ্বাস করি পৃথিবী এবং এই বিশ্বব্রহ্মাণ্ড সৃষ্টি হয়েছে এবং তা বিজ্ঞানের দ্বারা প্রমাণিত। তাহলে কে সৃষ্টি করেছে এই বিশ্বব্রহ্মাণ্ড? নাকি এমনি এমনি সৃষ্টি হয়েছে। যেহেতু আপনি বিজ্ঞান বিশ্বাস করেন তাহলে আপনাকে মানতে হবে, সব শিষ্ট্যরই সৃষ্টিকর্তা রয়েছে। তাহলে এই বিশ্বব্রহ্মাণ্ডে ও সৃষ্টিকর্তার রয়েছে।

এখন আপনি যদি বলেন, মেনে নিলাম পৃথিবী এবং বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের সৃষ্টিকর্তা রয়েছেন। তাহলে সৃষ্টিকর্তাকে কে সৃষ্টি করেছে?

তার উত্তরে আমি বলব আপনি কি বিশ্বাস করেন সবকিছু শেষ রয়েছে? অবশ্যই আপনি হ্যাঁ বলবেন। উদাহরণস্বরূপ আপনি একটি আপেল খাচ্ছেন, খেতে থাকলে একসময় কিন্তু আপেলটি খাওয়া শেষ হয়ে যাবে। অথবা আপনি একটি ব্যাটারি দিয়ে লাইট জ্বালাচ্ছেন, একসময় কিন্তু ব্যাটারির বিদ্যুৎ শক্তি ও শেষ হয়ে আসবে। মানে সবকিছুরই শেষ আছে।

তেমনি আপনার মোবাইলফোন মেশিনের দ্বারা তৈরি। আবার মেশিন মানুষের দ্বারা তৈরি, মানুষ তার পিতামাতার দ্বারা জন্ম, পিতা-মাতার জন্ম আপনার দাদা-দাদি এবং নানা নানী দ্বারা, এমন করে আমরা ধারণা করতে পারি পৃথিবীর প্রথম দুইটা মানুষের কাছ থেকে আমরা সবাই তৈরি বা জন্ম বলে মনে করি। তাহলে এই প্রথম দুইটা মানুষ ঈশ্বর বা আল্লাহর তালার দ্বারা তৈরি। আর এখানেই সৃষ্টির শেষ।
মানে আমি বুঝাতে চেয়েছি সবকিছুরই শেষ আছে।

এখন বলবেন, মানলাম সৃষ্টিকর্তার কোন সৃষ্টিকর্তা নেই, তাহলে সৃষ্টিকর্তার শুরুটা কোথায়? এটার উত্তর আমি শুরুতেই বলেছি যে আপনি যদি জন্মের পর থেকেই জানতেন যে পৃথিবী কোনদিন সৃষ্টি হয়নি। পৃথিবীর কোন শুরু এবং শেষ নেই। তাহলে কিন্তু আপনি সেটা বিশ্বাস করতেন। এখন যেহেতু আপনি জানলেন যে পৃথিবীর শুরু আছে তাই আপনি মনে করতেই পারেন আল্লাহর শুরুটা কোথায়? এখন আমি যদি আপনাকে বলি আপনার ধারনা সাপেক্ষে আপনি কোনোদিন সৃষ্টি হন নাই বা আপনার শেষ নেই। তাহলে আপনি অবাক হবেন আর বলবেন এটা বাস্তবতা বা বিজ্ঞানসম্মত করে না। কিন্তু বোঝানোর ক্ষেত্রে আমি আপনাকে বিজ্ঞানসম্মত প্রমান দিব যে আপনার শুরুও নেই, শেষ নেই।

জি ল্যামেটার 1608 সালে তথ্যমতে আমরা জানতে পারি এই বিশ্বব্রহ্মাণ্ড সৃষ্টির আগে বিন্দুতে পরিণত ছিল। তার তথ্য পরবর্তীতে নাসার রিচার্জে বিজ্ঞানসম্মত প্রমাণিত হয়। এবং তিনি বলেন এ বিন্দুটি বিস্ফোরণের কারণে এই মহাবিশ্ব সৃষ্টি হয়। যাকে বলা হয় বিগব্যাং। সেখান থেকে বিলিয়ন বিলিয়ন মাল্টিভার্স তৈরি হয়। আবার একটি মাল্টিভারস এর ভিতর বিলিয়ন বিলিয়ন ইউনিভার্স রয়েছে। একটি ইউনিভার্স এর ভিতরে বিলিয়ন বিলিয়ন গ্যালাক্সি রয়েছে। আবার একটি গ্যালাক্সি ভিতর বিলিয়ন বিলিয়ন গ্রহ, উপগ্রহ, তারা, সূর্য রয়েছে। আর এই বিলিয়ন বিলিয়ন উপগ্রহের ভিতরে একটি আমাদের পৃথিবী যেখানে আমরা বসবাস করি। আর এই সব কিছুই সৃষ্টি হয়েছে একটি বিন্দু থেকে। তাহলে বিন্দু সৃষ্টির প্রক্রিয়াটি কিভাবে? বিন্দু সৃষ্টির বিজ্ঞানীদের কাছে তথ্য না থাকার কারণে বিজ্ঞানীরা ধরে নিয়েছে যে বিন্দু কোনদিন সৃষ্টি হয় নাই।

এখন আপনার প্রশ্ন আসতে পারে আমার শুরু এবং শেষ এর সাথে বিন্দুর কি সম্পর্ক? হ্যাঁ আপনার শুরু এবং শেষ এর সাথে এটা সম্পর্ক রয়েছে। পৃথিবীতে কোন একটি বিক্রিয়ার মাধ্যমে গাছপালা বা উদ্ভিদ তৈরি হয়। এবং সেই উদ্ভিদের বীজ থেকে হাজারো গাছপালা তৈরি হয়। গাছপালা বা উদ্ভিদ থেকে আমাদের খাদ্য তৈরি হয়। আর খাদ্য গ্রহণের মাধ্যমে পুরুষের মধ্যে শুক্রাণু এবং মহিলাদের ডিম্বাণু সৃষ্টি হয়। এই শুক্রাণু এবং ডিম্বাণুর মিশ্রণ বিক্রিয়ার মাধ্যমে মানুষ তৈরি হয়। ধরুন মানুষটি আপনি নিজেই। তাহলে আপনার শুরুটা কিন্তু বিন্দু থেকে এসেছে। হইতে পারে আপনি অনেক বিক্রিয়ার মাধ্যমে জন্মগ্রহণ করেছেন। কিন্তু আপনার শুরুটা কিন্তু বিন্দুর মধ্যে। যেহেতু বিজ্ঞান প্রমাণ করতে পারেনি যে বিন্দু শুরুটা কোথায়? সে ক্ষেত্রে অবশ্য এটাও বলা যাবে না যে আপনার শুরুটা কোথায়?

আবার আপনার শেষও নেই। রসায়ন বই পড়লে আপনি জানতে পারবেন যে মানুষ মধ্যে 38 টি মৌলিক পদার্থ রয়েছে। পদার্থ গুলোকে এক একটা পরমানু ধরা হয়। পরমানু ভিতরে প্রট্রন কোনোদিন বাড়েও না কমেও না। সেক্ষেত্রে পরমানু কোনদিন বিলুপ্ত হবে না। আপনাকে যদি আগুনে পুরে ফেললেও দেহের পদার্থগুলো হারিয়ে যাবে না। তা বাষ্পের সাথে মিশে যাবে এবং কিছুটা ছাই হয়ে যাবে। সে ক্ষেত্রে আপনি শেষ হয়ে যাবেন না। এটা ঠিক যে আপনার অস্তিত্ব হারিয়ে যাবে।

যেখানে আপনি আপনার নিজের শুরুটা কোথায় এবং শেষটা কোথায়, এটাই বলতে পারতেছেন নাহ। তাহলে যে বিন্দুটা সৃষ্টি করেছে তাকে কে সৃষ্টি করেছে সেটা কিভাবে চিন্তা করেন। চিন্তা করাটা ভুলনয়। কারণ আমরা যে আল্লাহকে মানি সে কোনো পদার্থ দ্বারা তৈরী নয়। এবং ওনার সমতুল্য কেউ নেই। সে ক্ষেত্রে বলা যায় আল্লাহতায়ালাকে কেউ সৃষ্টি করেনি। তার শুরু এবং শেষ নাই। আল্লাহর দান করা সাধারণ জ্ঞান আমি আপনাকে যততুকু বোঝানোর তা চেষ্টা করেছি। আর একটা জিনিস মাথায় রাকবেন —

পৃথিবী একটা ফিল্ম, 🎬🎬🎬
যার ডিকেক্টর হলেন মহান স্রষ্ঠা। 🎮🎮🎮
হিরো – হিরোয়িন হলো মানুষ, 👫👬👯
আর ভিলেন হল শয়তান। 💀💀💀
আর এই ফিল্ম টি মুক্তি পাবে কেয়ামতের দিন।

175 Views
1 Comment
Forward Messenger
. 17

রোজা রাখা ফজিলত
-
- -
ইসলামিক গল্প 🥰🥰
-
- -
Basics Press Notice
1
Technology Updates
10
Electronics
2
Android Programing
16
iOS Programing
2
Computer Programing
13
Wireless Fidelity
4
Hacking tutorials
15
Mobile Networks
3
Videos Programing
5
Movie Review
4
Freelancing
35
Web Development
18
Social Network
23
Politics News
2
Education Guideline
6
Religious Fiction
15
Magic Tricks
3
LifeStyle
17
Uncategorized
40
1 comment to “সৃষ্টিকর্তা কে? আল্লাহ বা ঈশ্বরকে কে সৃষ্টি করেছে?”

  1. Md Juwel Rana (new) (1 month ago)

    অসাধারণ তিনি খুব ভালো ভাবে উপস্থাপন করেন